গরুর প্রজাতি অনুযায়ী আলাদা খুচরা দাম নির্ধারণের জন্য একটি আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে গত রবিবার (৮ মার্চ) এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশটি পাঠানো হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যানের কাছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ব্রয়লার, সোনালি ও দেশি মুরগির দাম আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হয়, কিন্তু গরুর মাংসের ক্ষেত্রে কোনো আলাদা দাম নেই।
অভিযোগ করা হয়েছে, দেশি ষাঁড়, সংকর জাতের গরু, খামারের গরু, বয়স্ক গাভী ও হেফার থেকে পাওয়া মাংস একই দামে বিক্রি করা হচ্ছে, যা বেআইনি ও স্বেচ্ছাচারী।
নোটিশে বলা হয়েছে, এক দামে বিক্রির এ ব্যবস্থা প্রতারণা ও অন্যায্য ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য হয়। এতে ভোক্তারা বয়স্ক গাভীর শক্ত ও নিম্নমানের মাংসের জন্যও উচ্চমূল্য দিতে বাধ্য হচ্ছেন এবং তাঁদের আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।
এছাড়া অভিযোগ করা হয়েছে, প্রান্তিক ও গ্রামীণ খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, কারণ যারা দেশি গরু পালন করেন তারা ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, অথচ সংকর জাতের গরু ও বয়স্ক গাভী বিক্রির সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেটগুলো অযৌক্তিক মুনাফা করছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, এ ধরনের নিষ্ক্রিয়তা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এবং প্রতিযোগিতা আইন, ২০১২-এর লঙ্ঘন।
নোটিশে দাবি করা হয়েছে, ১৫ দিনের মধ্যে খুচরা পর্যায়ে গরুর প্রজাতি অনুযায়ী দাম নির্ধারণে বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক ও আইনি নির্দেশনা জারি করতে হবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যবস্থা না নিলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট আবেদন করা হবে।
Vetsbd Livestock related only Bangla blog