বিপন্নপ্রায় তিতির পাখি সংরক্ষণে বাকৃবির উদ্যোগ

সোর্স : সময়ের কন্ঠ স্বর


বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের আওতাধীন একটি প্রকল্পের উদ্যোগে বিপন্নপ্রায় তিতির পাখি সংরক্ষণে দরিদ্র কৃষকের মধ্যে তিতির পাখি বিতরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, ১৫ ডিসেঃ সোমবার বিকালে বাকৃবির পার্শ্ববর্তী বয়ড়া গ্রামে তিতির পাখি বিতরণ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পশুপালন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস. ডি. চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্স সিস্টেম (বাউরেস) এর পরিচালক এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন প্রকল্প পরিচালক ও বিশিষ্ট পোল্ট্রি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সুভাষ চন্দ্র দাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত পোল্ট্রি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মো. আশরাফ আলী, পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. ফৌজিয়া সুলতানা, বয়ড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল মালেক এবং পোল্ট্রি বিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স এর শিক্ষার্থীবৃন্দ ও স্থানীয় লোকজন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, গ্রামাঞ্চলে চায়না মুরগি নামেও পরিচিত এই তিতির পাখি দেশি মুরগির মতই লালন-পালন করা যায় এবং এটি অত্যধিক রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন। এছাড়া এর বাজার মূল্য দেশি হাঁস-মুরগির চেয়ে অনেক বেশি। তাই এটি লালন-পালন করা বেশ লাভজনক। তিতির পাখি পালন দারিদ্র বিমোচনে যেমন সহায়ক ভূমিকা পালন করবে তেমনি বিপন্নপ্রায় এই পোল্ট্রি প্রজাতিটির সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখবে বলে বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

পরে স্থানীয় সাতজন দরিদ্র কৃষকের মধ্যে ১৪টি তিতির পাখি বিতরণ করা হয়।

লেখকঃ Abdullah Al Mubin

মোঃ আব্দুল্লাহ আল মুবিন, শিক্ষার্থী, ভেটেরিনারি সায়েন্স, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

এটাও দেখতে পারেন

মুরগির কী রোগ হয়েছে, বলে দেবে দেশীয় অ্যাপ Poultry Pal

মুরগির খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেকেই। কেউ আবার নতুন খামার করেছেন। তবে সঠিক সময়ে মুরগির …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.