নীড় / বিবিধ / আইন ও নীতিমালা / জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা ২০০৮ (৩য় পর্ব)

জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা ২০০৮ (৩য় পর্ব)

৫.০ পোল্ট্রি নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রসমূহ

৫.১ উৎপাদন

৫.১.১ পোল্ট্রি উৎপাদন;

৫.১.২ পোল্ট্রি খাদ্য উৎপাদন;

৫.২ উদ্যোক্তা উন্নয়ন

৫.২.১ দারিদ্র বিমোচন;

৫.২.২ পূঁজি বিনিয়োগ, ঋণ ও বীমা ব্যবস্থাপনা;

৫.২.৩ বিপণন ব্যবস্থাপনা;

৫.২.৪ পোল্ট্রি জাত দ্রব্যাদি প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি;

৫.৩ সম্প্রসারণ

৫.৩.১ পোল্ট্রি চিকিৎসা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ;

৫.৩.২ মানবসম্পদ উন্নয়ন

৫.৩.৩ প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন;

৫.৩.৪ পোল্ট্রি গবেষণা;

৫.৩.৫ রেজিষ্ট্রেশন প্রদান;

৫.৪ মান নিয়ন্ত্রণ

৫.৪.১ পোল্ট্রি বাচ্চা;

৫.৪.২ পোল্ট্রি খাদ্র;

৫.৪.৩ মাংস ও ডিম;

৫.৪.৪ পোল্ট্রি টীকা ও ঔষধ।

৬.০ পোল্ট্রি নীতির বাস্তবায়ন কৌশল

৬.১ পোল্ট্রি উৎপাদন

৬.১.১ বাণিজ্যিক পোল্ট্রিপালন

৬.১.১.১ বাণিজ্যিক খামার স্থাপনের শর্তাবলীঃ

(ক) বাণিজ্যিক খামার ঘনবসতি এলাকা এবং শহরের বাইরে স্থাপন করতে হবে;

(খ) একটি বাণিজ্যিক খামার থেকে আরেকটির দূরত্ব  নূন্যতম ২০০ মিটার হতে হবে;

(গ) ব্রিডিং খামারের পারস্পরিক দূরত্ব নূন্যতম ৫ কিলোমিটার হতে হবে;

(ঘ) গ্র্যাণ্ড প্যারেন্ট স্টক (Grand Parent Stock) ও প্যারেন্ট স্টক (Parent Stock) খামার লোকালয়ের বাইরে স্থাপন করতে হবে এবং উভয় শ্রেণীর খামারের ২ কিলোমিটারের মধ্যে কোন প্যারেন্ট স্টক/বাণিজ্যিক খামার প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। গ্র্যান্ড প্যারেন্ট স্টক (Grand Parent Stock) ও প্যারেন্ট স্টক (Parent Stock) খামার স্থাপনের পূর্বে পশুসম্পদ অধিদপ্তরের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে;

(ঙ) খামার ও হ্যাচারি স্থাপন পরিকল্পনায় উন্নত জীব নিরাপত্তা ব্যবস্থার উল্লেখ থাকতে হবে;

(চ) খামার ও হ্যাচারি পরিকল্পনায় বর্জ্য স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে অপসারণ (disposal) এর ব্যবস্থা থাকতে হবে; এবং

(ছ) খামার ও হ্যাচারির জন্য নির্ধারিত স্থানে স্বাস্থ্যসম্মত বর্জ্য অপসারণ এর জন্য প্রয়োজনীয় স্থানের সংস্থান থাকতে হবে।

 

৬.১.২ পারিবারিক পোল্ট্রি পালন

৬.১.২.১ পারিবারিক খামারের  উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বর্তমানে প্রচলিত উপযুক্ত জাতের পোল্ট্রির সঙ্গে শংকরায়নের মাধ্যমে উৎপাদশীল জাত সৃষ্টির প্রচেষ্টা               অব্যাহত থাকবে এবং পশূসম্পদ অধিদপ্তরের বিদ্যমান সম্প্রসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হবে;

৬.১.২.২ পোল্ট্রির জীব বৈচিত্র রক্ষা, দেশীয় জাতের উন্নয়ন ও বৈরী পরিবেশে পালন উপযোগী জাত সৃষ্টির লক্ষ্যে দেশী জাতের মুরগির কৌলিক গুণাগুণ (Genetic               potentiality) সংরক্ষণকরতঃ গবেষণা কাজে ব্যবহার করা হবে;

৬.১.২.৩ উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ পশুসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্রামীণ পর্য়ায়ে প্রয়োগ               উপযোগী পোল্ট্রি পালনের টেকসই প্রযুক্তিউদ্ভাবনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। উদ্ভাবিত প্রযুক্তি প্রদর্শনী (Demonstration) এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে               খামার পর্যায়ে হস্তান্তর/সম্প্রসারণের ব্যবস্থা নেয়া হবে;

৬.১.২.৪ সরকারি খামারে উন্নত জাতে হাঁস উৎপাদনের মাধ্যমে খামারিদের মাঝে বিতরণের কার্যক্রম জোরদার করাসহ বেসরকারি খাতে এ ধরনের উদ্যোগকে               সহায়তা প্রদান করা হবে;

৬.১.২.৫ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য মিশ্র খামার বিশেষ করে হাঁস ও মুরগী একসাথে পালন নিরুৎসাহিত করা হবে; এবং

৬.১.২.৬ পারিবারিক পর্যায়ে পোল্ট্রি পালনের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হবে এবং এ বিষয়ে খামারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ                করা হবে।

লেখকঃ হৃদ রহমান

এটাও দেখতে পারেন

পশুখাদ্য বিধিমালা, ২০১৩

মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ এর ধারা ২২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার পশুখাদ্য বিধিমালা, ২০১৩ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *