নীড় / বিবিধ / আইন ও নীতিমালা / প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আইন ও অধ্যাদেশ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আইন ও অধ্যাদেশ

এখানে যে আইন ও অধ্যাদেশগুলো উল্লেখ করা হয়েছে তা বেশ আগের । কেবল মাত্র কিছুটা ধারনা দেবার জন্য আমার এই প্রচেষ্টা। কেউ যদি আপডেটেড তথ্য জানেন তবে মন্তব্য করতে ভুলবেন না।

  • The Cattle Trespass Act,1871
  • The Bengal Cruelty to Animal,Act,1920
  • The East Pakistan Animal Slaughter (Restriction) & Meat Control Act,1957.
  • East Pakistan Society for prevention to Cruelty to animal Ordinance, 1962.
  • Bangladesh Veterinary Practitioners Ordinance,1982.(ACT No1 1986)
  • Animal Disease Act,2005.
  • The Bangladesh Animal & Animal Product Quarantine Act,2005
  • Fish Feed and Animal Feed Ordinance, 2008
  • Animal Disease Rules,2008
  • National Livestock Development Policy,2007
  • National Poultry Development Policy,2008
  • Bangladesh Standard Specification for poultry Feeds
  • Bangladesh Standard Specification for Feeds& Feeding of Farm Animals and Pets

আসুন জেনে নিই আইন, অধ্যাদেশ, বিধিমালা বা নীতিমালার মধ্যে পার্থক্য কিঃ

আইন       ঃ জাতীয় সংসদ কর্তৃক পাশ এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতি  কর্তৃক অনুমোদিত।

(আইন,অধ্যাদেশ,আদেশ,বিধি,প্রবিধান,বিজ্ঞপ্তি ও অন্যান্য আইন গত দলিল, বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫২ নং অনুচ্ছেদ)

অধ্যাদেশ ঃ রাষ্ট্রপতির বিশেষ ক্ষমতাবলে কোন আইন জারীকরন ।

বিধিমালা ঃ আইনের ধারাগুলো বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে প্রণীত বিধি আইন মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদন।

নীতিমালা ঃ মন্ত্রীপরিষদ কর্তৃক অনুমোদন।

পশুরোগআইন,২০০৫ (Animal Disease Act, ২০০৫)

১। শিরোনামঃ পশুরোগ, ২০০৫ নামে অভিহিত হইবে।

২। কার্যকরঃ ২৮/০২/২০০৫

৩। উদ্দেশ্য   ঃ পশুরোগের বিস্তাররোধ ও নিয়ন্ত্রণ এবং আনুষাঙ্গিক

বিষয়াদির জন্য প্রণীত।

৪। উক্ত আইনে মোট ৩৩ ধারা এবং পশুরোগ বিবরন এর একটি তফসিল আছে   (১০৩টি রোগ)।

৫। ৩ নং ধারায় পশুরোগ সর্ম্পকে তথ্য প্রদান।

প্রত্যেক পশুপালনকারীকে ভেটেরিনারি কর্মকর্তাকে বা তাঁর অফিসে  পশুরোগোর তথ্য প্রদান করিতে হইবে। অন্যথায় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে ।

৬| সংক্রমিত এলাকা ঘোষণা।

উক্ত ৫নং ধারার ২নং উপ-ধারার ক্ষমতাবলে মহা-পরিচালক পশুসম্পদ অধিদপ্তর  সংক্রমিত এলাকার সীমানা ঘোষনা করিবেন।

৭| ৬,৭ ও ৮ নং ধারায় যথাক্রমে সংক্রমিত ্‌এলাকায় পশু ও পশুজাত পণ্য স্থানান্তরে বিধি-নিষেধ, সংক্রমিত এলাকায় প্রতিষেধক টিকা প্রদান এবং জীবানুমুক্ত করণ বিষয়ে উলে­খ করা হয়েছে।

৮| ৯ নং ধারায় ভেটেরিনারি কর্মকতা কর্তৃক পশু পরীক্ষা ও ১০নং ধারায় পোষ্টমর্টেম বিষয় উলে­খ আছে,যাহা বিধিতে বিষদ ভাবে উলে­খ আছে।

৯| ক্ষমতাপ্রাপ্ত ভেটেরিনারি কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া সংক্রমিত এলাকার পশু বা উক্ত পশু হতে উৎপাদিত পণ্য উক্ত এলাকায় বাজারজাত করা যাবেনা।    ধারা-১২

১০| সংক্রমিত এলাকায় কোন প্রকার পশুর মেলা  বা পশুর সমাবেশ করা যাবেনা। ধারা -১৫

১১| GB আইনের আওতায় প্রণীত বিধির শর্ত মোতাবেক  পশুখামার,পশুজাত দ্রব্য প্রক্রিয়াজাত কারখানা  স্থাপন করিতে হইলে নিবন্ধন করিতে হবে,যাহা বিশদ ভাবে উলে­খ করা হয়েছে। ধারা-১৬

১২| ভেটেরিনারি কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই আইনের কোন মামলা বিচারার্থ গ্রহণ করিবেন না। ধারা-২৩

১৩| দন্ড।-কোন ব্যক্তি আইন বা তদধীন কোন বিধির কোন বিধান লংঘন করেন তাহা হলে,অনূধর্ব দুই বৎসর কারাদন্ড বা অনূধর্ব ১০(দশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় প্রকার দন্ডে দন্ডনীয় হইবেন।

বাংলাদেশপশুপশুজাতপণ্যসঙ্গনিরোধআইন,২০০৫

১। উদ্দেশ্যঃ

ক) পশুরোগের প্রাদুর্ভাব ও বিস্তার রোধ।

খ) জনস্বাস্থ্য রক্ষা

গ) আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ এবং আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি।

২।এই আইনে মোট ২৬টি ধারা আছে এবং একটি খসড়া বিধিমালা  “বাংলাদেশ পশু ও পশুজাত পণ্য সঙ্গনিরোধ বিধিমালা,২০০৮” তৈরী করা হয়েছে; যা অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন ।

৩। “ সরকার” রোগের কারণ হতে পারে এমন ক্ষেত্রে  কোন পশু ও পশুজাত পণ্য সঙ্গনিরোধ, আমদানি বা রপ্তানি নিষিদ্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন,ধারা -৩

৪। সরকার কতৃক সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তা নিয়োগ করিবেন।

৫। সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তার ক্ষমতা এবং কার্যাবলী ধারা-৭

৬।  প্রত্যেক  আমদানিকারককে কমপক্ষে ১৫ দিন পূর্বে সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তাকে নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ পূর্বক  আমদানির বিষয়ে অবহিত করতে হবে। ধারা-৯

৭। কি কি বাজেয়াপ্তযোগ্য পশু ও পশুজাত পণ্য।-ধারা-১০

ক) রোগাক্রান্ত পশু এবং চিকিৎসা সেবার মাধ্যমে রোগমুক্ত করা সমভব নয়।

৮। পশু ও পশুজাত পণ্যের রপ্তানির বিধান, বিধিদ্বারা নির্ধারিত হবে।

ধারা- ১২

৯। বৈধ আমদানি লাইসেন্স ব্যতিরেকে আমদানিকৃত পশু ও পশুজাতপণ্য সম্পর্কিত বিধান-১৩

১১। সঙ্গনিরোধ কর্মকর্তার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই আইনের কোন মামলা বিচারার্থ গ্রহণ করিবেন না। ধারা-১৮

১০। দন্ড।- যদি কোন ব্যক্তি এই আইন বা বিধির কোন বিধান লংঘন করেন বা বিধির অধীন প্রাপ্ত নোটিশ অনুযায়ী দায়িত্ব সম্পাদনে বা নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হন, তাহা হলে তিনি অনূর্ধ্ব ২ (দুই ) বৎসর কারাদন্ড বা অনূধর্ধ ১০০০০(দশ) হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডনীয় হবে।ধারা-২০

মৎস্য ও পশুখাদ্য অধ্যাদেশ,২০০৮(২০০৮ সালের ২০ নং অধ্যাদেশ।

  •  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৩(১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশ জারী করেন।
  •   প্রয়োজনঃ মৎস্য ও পশুখাদ্য ও উৎপাদন ,প্রক্রিয়াজাতকরণ, মান নিয়ন্ত্রণ, আমদানি,রপ্তানি.বিপণন,বিক্রয়.বিতরণ এবং আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি বিধান করার দরকার

মোট ২৩ ধারা আছে এবং একটি খসড়া বিধিমালা তৈরী করা হয়েছে

  •   ১। সংক্ষিত শিরোনাম ও প্রবর্তন।-
  •   ২। সংজ্ঞা।- খামার,পশুখাদ্য.পশু,সরকার,
  •   ৩। পশুখাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।- মহ-পরিচালক বা ক্ষমতা প্রাপ্ত কর্মকর্তা।
  •   ৪। পশুখাদ্য উৎপাদন প্রক্রিজাতকরণ ইত্যাদিসহ আনুষঙ্গিক কার্যাবলী সম্পাদন।
  •   ৫। লাইসেন্স প্রদান।-
  •   ৬।লাইসেন্সের মেয়াদ ও নবায়ন।-
  •   ৭। লাইসেন্স ফি ও নবায়ন ফি।-
  •   ৮। লাইসেন্স বাতিল ও স্থগিতকরণ।-
  •   ৯। আর্দশমাত্রা।-
  •   ১০।পশুখাদ্যেও মাননিয়ন্ত্রণ।-
  •   ১১। ক্ষতিকর ও ভেজাল পশুখাদ্য উৎপাদন ।-
  •   ১২।প্রাত্র ও লেবেলিং।-
  •   ১৩।  পশুখাদ্যে এন্টিবায়োটিক,গ্রোথ হরমোন,কীটনাশক, ইত্যাদি ব্যাবহার নিষিদ্ধকরণ

এছাড়া কেউ  আইন ও অধ্যাদেশগুলো ডাউনলোড করতে চাইলে নিচের লিংকগুলোতে ক্লিক করুন- (এগুলো মোটামুটি আপডেটেড)ঃ

লেখকঃ ডাঃ তায়ফুর রহমান

ডাঃ তায়ফুর রহমান;
ডিভিএম, এম এস ইন ফার্মাকোলজী (বাকৃবি);
ফিল্ড রিসার্চ অফিসার,
জুনোটিক ডিজিজ রিসার্চ গ্রুপ;
আইসিডিডিআর,বি (icddr,b); এবং
ব্লগ এডমিনিষ্ট্রেটর, ভেটসবিডি

এটাও দেখতে পারেন

পশুখাদ্য বিধিমালা, ২০১৩

মৎস্যখাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ এর ধারা ২২ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার পশুখাদ্য বিধিমালা, ২০১৩ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *