নীড় / বিবিধ / ভেটেরিনারি পেশা / এনিমেল হাজবেন্ড্রী’র শিক্ষকদের একটি প্রশ্নের জবাব

এনিমেল হাজবেন্ড্রী’র শিক্ষকদের একটি প্রশ্নের জবাব

ভেটেরিনারি সায়েন্স-এর কোন প্রয়োজন নাই, কেননা, “রোগ হলে তো চিকিৎসার প্রয়োজন, যদি রোগই না হয়, তা হলে তো চিকিৎসকের কোন প্রয়োজন নেই। ভালো ম্যানেজমেন্ট আর বায়োসিকিউরিটি বা জীব-নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আমরা আমাদের প্রাণিসম্পদকে রোগ মুক্ত রাখবো। তাই যেখানে রোগ নাই, সেখানে ভেটেরিনারিয়ানেরও কোন প্রয়োজন নাই।” কথাগুলো এনিমেল হাজবেন্ড্রীর শিক্ষকরা তাদের ছাত্রদের মুখস্ত করান। আজ আমি এই বিষয়টি নিয়েই লিখবো।

১। প্রথমে জানতে হবে, ভেটেরিনারি সায়েন্স বা এনিমেল হাজবেন্ড্রী এই শিক্ষার গোড়াটা কোথায়। আমাদের এই বিজ্ঞানগুলোর মূল হলো মেডিকেল সায়েন্স। মেডিকেল সায়েন্স-এর একটা শাখা হলো ভেটেরিনারি সায়েন্স। আর সেই ভেটেরিনারি সায়েন্সের একটা শাখা হলো এনিমেল হাজবেন্ড্রী। গরু বা ছাগলের একটা গবলেট সেল যেভাবে কাজ করে মানুষের একটা গবলেট সেলও সেই একই রকমভাবে কাজ করে। তাই বলে কি এখন আমরা বলবো, যে মেডিকেল সায়েন্স-এর কোন প্রয়োজন নেই, সব ভেটেরিনারিয়ানরাই দেখবে। হাস্যকর না? কঞ্চি যদি বলে বাঁশের দরকার নেই তবে বোকার স্বর্গে বাস করা ছাড়া তাকে আর কি বলা যায়? বাংলা’র শাখা হলো বাংলা ব্যকরণ। আর বাংলা ব্যকরণের একটা শাখা হলো সমাস বা কারক। এখন যদি সমাস বা কারক যদি বলে বাংলা ব্যকরনের কোন প্রয়োজন নাই বা বাংলা ব্যকরণ যদি বলে বাংলার প্রয়োজন নাই তবে অবস্থাটা কি হতে পারে একবার ভাবুন তো।

আর একটা কথা, Veterinary Science বা Veterinary Medicine এর সংজ্ঞায় কোথায় বলা আছে, যে রোগ প্রতিরোধের ব্যাপারটা ভেটেরিনারিয়ানদের আওতাভুক্ত না?

উইকিপিডিয়ার Veterinary Science এর সংজ্ঞা দেখুনঃ “Veterinary medicine is the branch of science that deals with the prevention, diagnosis and treatment of disease, disorder and injury in animals. The scope of veterinary medicine is wide, covering all animal species, both domesticated and wild, with a wide range of conditions which can affect different species.” -এতে প্রথমেই prevention এর কথা বলা আছে।

Dictionary.com -এ Veterinary Medicine এর সংজ্ঞায় বলা আছে “the branch of medicine dealing with the study, prevention, and treatment of diseases in animals, especially domesticated animals.” এখানেও দেখুন prevention আগে। আর কি কিছু বলার প্রয়োজন আছে? কেন ছাত্র-ছাত্রীদের ভুল বোঝাচ্ছেন? কিসের স্বার্থে ?

২। কোন বিষয় সম্পর্কে পুরোটা না জেনে মন্তব্য করাটাকে আপনি কি বলবেন? আপনি কি ভেটেরিনারি সায়েন্স পড়েছেন, যে তার প্রয়োজনীয়তা আছে কি নাই সে নিয়ে বিতর্ক করেন? প্রশ্ন করতে পারেন, আমরা তবে কেন বলি যে এনিমেল হাজবেন্ড্রী দরকার নাই? এখানে আমরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আমরা কখনই বলি নাই এনিমেল হাজবেন্ড্রী দরকার নাই, আমরা বলি দুই ফ্যাকাল্টি এক হোক। আমরা দুই ভাই মিলে একটা স্রোত তৈরি করি। দুটি ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত জল মিলে মিশে একটা শক্তিশালী ধারা হোক। সমস্ত জলের বিরাট শক্তি নিয়ে আমরা এগোতে চাই।

৩। শত্রু সম্পর্কে যদি আপনি ভালোভাবে না জানেন, যদি তার শক্তি সামর্থ সম্পর্কে আপনার স্পষ্ট ধারণা না থাকে, তবে আপনি শত্রু মোকাবেলা করার পরিকল্পনাটা সাজাবেন কিভাবে? যে রোগ প্রতিরোধের কথা আপনারা বলেন, সেই রোগ সম্পর্কে আপনারা কতটা জানেন, এনিমেল হাজবেন্ড্রীতে কতটা পড়ানো হয় কোন রোগের প্যাথোলজি বা প্যাথোজেনেসিস সম্পর্কে?

৪। তর্কের খাতিরে না হয় ধরে নিলাম আপনারা বিস্তর জানেন, কিন্তু আপনি যাদের নিয়ে কাজ করবেন, সেই খামারিরা কতটা জানে? যাকে আপনি বায়োসিকিউরিটির মন্ত্র পড়াবেন ভাবছেন, সে তো পড়ালেখাই জানে না। এমন অনেক খামারি আছে, যে কিনা প্রেসক্রিপশনটাই সোজা না উল্টো করে ধরেছে তাই বলতে পারে না। আর তাকে দিয়ে আপনি বায়োসিকিউরিটি মেইনটেইন করাবেন! কথাগুলো যাদের ব্রেইন ওয়াশ করাতে চান, সেইসব কোমলমোতি আর প্রাকটিকেল পরীক্ষায় নম্বর কম পাওয়ার ভয়ে ভীত ছাত্রদের বোঝানো সহজই বটে! কিন্তু যার আপনার প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় নম্বর কম পাওয়ার ভয় নাই, সেই খামারীকে বোঝানো অতো সহজ নয়। আপনি কি পারবেন, প্রত্যেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে কন্ট্রোলড শেড তৈরি করে দিতে? এদেশের মানুষ নিজের থাকার ঘরে খামার তৈরি করেছে। রাতারাতি সেসব খামার ধ্বংস করা কি এতো সহজ? তর্কের খাতিরে না হয় ধরেই নিলাম, আপনারা সব করতে পারবেন। কিন্তু তা করতে আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশের পক্ষে কতদিন লাগবে ভেবেছেন? ততদিনে কি আপনার বাচ্চারা প্রাণিজ প্রোটিন বলতে কি কিছু পাবে তো?

৫। আমরা মানুষ, প্রকৃতির সবচেয়ে বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণি। আপনিও তাই (!)। আপনার কোন সমস্যা হলে তো আপনি আগে ডাক্তারের সরণাপন্ন হন, কিন্তু কেন? অনেক তো প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেন, যাতে আপনি অসুস্থ হয়ে না পড়েন। পারেন, রোগ থেকে মুক্ত থাকতে? বছরে অন্ততঃ ২ বার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে আপনার দাঁত ও মুখের চেকআপ করার কথা, কয়বার যান? কতজন কয়বার যায়? আপনার কথা ছাড়ুন, সবচেয়ে যে আদরের ধন, সন্তান, তাকে নিয়ে কতবার গিয়েছেন? বছরে অন্ততঃ একবার পুরো শরীর চেকআপ করানোর কথা, কতবার করিয়েছেন? রাতের বেলা দাঁত ব্রাশ করতে হবে এ কথা দিনে ১৪ বার বিজ্ঞাপনে দেখানো হয়, কিন্তু বাংলাদেশের কয়জন তা অনুসরণ করে? আপনি শিক্ষিত মানুষ হয়ে যদি আপনিই প্রতিরোধের ব্যবস্থা না মানেন, তবে স্বল্প-শিক্ষিত বা অশিক্ষিত মানুষ তা মানবে এটা আপনি আশা করেন কিভাবে?

৬। যদি প্রতিরোধের ব্যবস্থা করেই সব রোগ প্রতিরোধ করা যেত, তবে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে আপনার সন্তানকে ডাক্তারি না পড়িয়ে স্বাস্থ্য-কর্মী বিষয়ক পড়াশোনা কেন করান না! আপনাদের সাথে তাল মিলিয়ে যদি বলা যেত, বিশ্বে ডাক্তারের কোন প্রয়োজন নেই, স্বাস্থ্য-কর্মী হলেই তো চলে। সকালে বিকালে এসে তারা আমাদেরকে বলে যাবে, এটা করা ঠিক না, এটা করা যাবে না। আর আমরা সেটা অনুসরণ করেই রোগ থেকে আজীবনের জন্য মুক্ত থাকতে পারতাম! আহা, কী আনন্দ আকাশে বাতাসে…।

এবারে শেষ করবো। ২ বছর পরপর ডীন হবার স্বপ্নে যাতে ব্যাঘাত না ঘটে তার জন্য ছাত্রদের সাথে এসব ভন্ডামী করা ছেড়ে দিন। তাদেরকে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় দেখে নেয়ার হুমকী দিয়ে আর লাভ হবে না।

এনিমেল হাজবেন্ড্রী-তে অধ্যয়নরত প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী ভাই ও বোনেরা, আপনাদেরকে বলছি, আপনারা আমাদের ভুল বুঝবেন না। আমাদেরকে আপনাদের শত্রু  মনে করবেন না। আমরা কিন্তু বরাবরই বলছি, আমরা দুই ভাই এক হয়ে পথ চলতে চাই। একটা কথা চীর-স্বীকার্য, দুই ভাই যখন ঝগড়া করে, তখন তৃতীয় পক্ষ সেখান থেকে সুযোগ নেবার চেষ্টা করে। আজকে আমরা-আমরা ঝগড়া করছি, আর তার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি আমরাই। আজকে আমাদেরকে বলা হয় আমাদের ক্যাডার নাকি ২৯ তম ক্যাডার! পিএটিসি ট্রেণিং-এ আমাদেরকে পাত্তাই দেয়া হয় না। অন্যান্য ক্যাডারের তুলনায় সমাজে আমাদের সম্মান কতটুকু? আজ যদি আমরা একসাথে আমাদের প্রফেশনের জন্য আন্দোলন করতাম তবে সে আন্দোলন হতো সরকারের কাছ থেকে কিছু আদায় করার জন্য, কিন্তু এখন আমাদেরকে আগে আন্দোলন করতে হয় আমারই ভাইয়ের সঙ্গে, তারপর সরকারের সঙ্গে। যে শিক্ষকের কথা বিশ্বাস করে আপনারা এই দুই ফ্যাকাল্টির দ্বন্দ্বকে জিইয়ে রেখেছেন, বছরের পর বছর ধরে, সেই দ্বন্দ্ব জিইয়ে রেখে আমাদের কি কোন লাভ হয়েছে? তারা তো ২ বছর পরপর পালাক্রমে ডীন হচ্ছেন, কিন্তু আপনি-আমি কি পেয়েছি? তারা হয়তো আপনাদের বলেন, কোন এনিমেল হাজবেন্ড্র্রী গ্র্যাজুয়েট কি বেকার আছে? আমার প্রশ্ন, শুধু চাকরি একটা পেলেই কি হয়? কি সম্মান আছে এই চাকরির? একবার ভেবেছেন? যদি নতুন অর্গানোগ্রাম পাশ না হয়, তবে আপনিও যে সামনে অধিক প্রতিযোগীতার মধ্যে পড়তে যাচ্ছেন, তা কি ভেবেছেন? কারণ সামনে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও এনিমেল হাজবেন্ড্রী গ্র্যাজুয়েট বের হবে।

যদি আমরা এক থাকতে পারতাম, তবে আমরা সরকারকে বলতাম, প্রতিটা বন্দরে একটা করে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার করা হোক, প্রতিটা সিটিকর্পোরেশনে, প্রতিটা পৌরসভায় ভেটেরিনারিয়ান নিয়োগ দেয়া হোক। অসুস্থ পশু জবাই করা হচ্ছে কি না তা দেখার দায়িত্ব কেবল আমরাই সঠিকভাবে পালন করতে পারি। তখন আমাদের চাকরি হতো কত ভেবে দেখেছেন? এরকম আরো আরো পদ সৃষ্টি করা তখন অনেক সহজ হতো। তাই, আসুন, এখনও সময় আছে, আমরা সোচ্চার হই। শুধু আমি এনিমেল হাজবেন্ড্রী পড়েছি বলেই যে, তর্কের খাতিরে তর্ক করতে হবে, তার তো কোন মানে নেই। আবেগের বশবর্তী হয়ে, কারো প্ররোচনায় না পড়ে, আমাদের ভবিষ্যৎটা আমরাই গড়ি।

একটি কথা বলে শেষ করছি, যদি বাকৃবি-তে এনিমেল হাজবেন্ড্রী ও ভেটেনিারি ফ্যাকাল্টি মিলে একটা ফ্যাকাল্টি হতো, আর তাতে যদি ছিট সংখ্যা যৌথভাবে যা হয় তাই থাকতো, তবুও কিন্তু আপনি ঠিকই চান্স পেতেন, আর তখন কিন্তু আপনিও হতেন একজন ভেটেরিনারিয়ানই। তাতে কি কারো কোন ক্ষতি হতো?

[লেখাটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে তবে যত বেশি সম্ভব, সবার সাথে শেয়ার করুন]

লেখকঃ ডাঃ তায়ফুর রহমান

ডাঃ তায়ফুর রহমান;
ডিভিএম, এম এস ইন ফার্মাকোলজী (বাকৃবি);
ফিল্ড রিসার্চ অফিসার,
জুনোটিক ডিজিজ রিসার্চ গ্রুপ;
আইসিডিডিআর,বি (icddr,b); এবং
ব্লগ এডমিনিষ্ট্রেটর, ভেটসবিডি

এটাও দেখতে পারেন

bva bd logo

বিভিএ’র নবনির্বাচিত কমিটির বিগত এক মাসের অর্জন

এক মাস পূর্ণ করলো বিভিএ ২০১৭-২০১৮ কমিটি। কেমন ছিলো এই এক মাসের অগ্রযাত্রা ? কী …

১১ মন্তব্য

  1. আসলেই মনের কথাটা বলেছেন। আমি বিদেশীদের সাথে কাজ করতে গিয়ে য্ত জনকে বলেছি আমি একজন ভেটেরিনারিয়ান তারা সবাই একবাক্যে চিনতে পেরেছে, কিন্তু তারা কেউ ই এই পেশার না । অথচ আপনি বলুন তো আমি এনিমেল হাজবেন্ড্র্রী গ্র্যাজুয়েট কতজন চিনতে পারে । আমি নিশ্চিত কেউ চিনতে পারবে না আপনার ডিগ্রি । সবাই কে বোঝাতে হবে আপনার কাজ কি। কারন এরকম কোন ডিগ্রি বিশ্বে বাংলাদেশ ছাড়া কোথাও নাই

  2. ধন্যবাদ শামীম। আমি জানি না, ভেটস বিডিতে কোন এ এইচ গ্রাজুয়েটদের লেখার সুযোগ আছে কি না। না থাকলে তোমর কাছে আমার আর্জি যেহেতু তাদের সদস্য হওয়ার সুযোগ নেই, তবুও তাদের লেখা প্রকাশের সুযোগ থাকা উচিত। কেননা তাদের বিষয়বস্তু ভেটেরিনারি সায়েন্সের ই বিষয়বস্তু। তাদের মধ্যে যারা উচ্চশিক্ষিত (শিক্ষক/গবেষক/বিদেশী পরামর্শক ইত্যাদি) শুধু তারাই ‍চিতকার চ্যাঁচামেচী করছে আর যারা শুধু অনার্স ও মাস্টার্স করে ফিল্ডে আছে, তাদের অবস্থা দূর্বিসহ। আসলে তারা তাদের নিজেদেরই অউন করছে না। তারা যে বিষয়গুলি পড়ে আসে, অন্যান্য দেশে ভেটরাই সেগুলো পড়ে আসে। আমাদের বাকৃবির প্রোডাক্টরা অসম্পূর্ণ ভেট আর এজন্য দায়ী আমাদের তখনকার শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিজ্ঞ এ এইচ গ্রাজুয়েটদের কাছে আমার বিনীত প্রশ্ন আমি বিশ্বের যে কোন দেশ হতে (বাংলাদেশের বাকৃবি/পটুয়াখালী ছাড়া-অবশ্য নৈতিক দিক থেকে এসব প্রতিষ্ঠান থেকেও বাঁধা নেই) তাদের পঠিত যে কোন বিষয়ে এমএস ডিগ্রী নিতে পারব, তারা কি পারবে এনাটমি, হিস্টোলজি, ভেট. মাইক্রোবায়োলন্য কজি, প্যাথলজি, মেডিসিন বা সাজার্রীতে এমএস বা অন্য কোন ডিগ্রী নিতে? ১০০% অসম্ভব। অর্থাত আমাদের এ এইচ হওয়ার সুযোগ আছে , কিন্তু তাদের ভেট হওয়ার সুযোগ অন্তত এ ইহজগতে নেই। আশা করি এবিষয়ে আরও লিখবে।

    • ডাঃ তায়ফুর রহমান (এডমিন)

      ধন্যবাদ মইন। ভেটসবিডিতে এনিমেল হাজবেন্ড্রী গ্র্যাজুয়েটদেরও লেখার সুযোগ আছে। অলরেডি একজন AH গ্র্যাজুয়েট ভেটসবিডিতে নিয়মিত লিখছেন। তিনি হলেন, জনাব ‍মোঃ মহির উদ্দীন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ঈশ্বরদী, পাবনা। তাঁর লেখাগুলো পড়ুন: http://vetsbd.com/?author=57 এই লিংক থেকে। আমরা একাত্মতার কথা বলবো, আর এখানে আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি রাখবো, তা তো হয় না। তাই সকল AH গ্র্যাজুয়েটদের ভেটসবিডিতে স্বাগত জানাই।

  3. Sudhu AH Teacher ra noire vai, Dr. Fazlul Haque, Associate Professor, HSTU, Dinajpur’r lekha poren ni mone hoi!!!!!!!!!!!! Porle r AH der condemn korte parten na. Pls age Dr. Fazlu’r moto manush k shudhran, tarpor AH’r dike hat baran.

    • জনাব, লালন আপনাকে আমি চিনি না। কিন্তু আমার লেখাতে কোথায় এ এইচদের কনডেম করার কথা বলা হয়েছে বুঝতে পারছি না। এ এইচদের কনডেম করার প্রশ্নই আসে না কারণ এ এইচ’র পঠিত বিষয়বস্তু তো ভেটেরিনারি সায়েন্সের বিষয়বস্তু অর্থাত আমাদের অংগ। অংগ ছাড়া তো আমরা (বাকৃবি’র ভেটরা) অসম্পূর্ণ।

  4. apni bolesen veterinary er sakha animal husbandry. ei tottho kothay ase. posu palon age na posu cikitsa age, apni nijei bolen. assa apnake ke bolese prevention apnader kaj na! preventive medicine amra apnader department er ekta course e poresi. ossikar korbo keno!! amader kaj disease prevention na, production of animal & their products. apni bolsen dui faculty ek hok. ki dorkar vai. world demand jekhane specific specialist, sekhane apni gross degree cassen. ar vaia, ekjon dekhlam comment korese, BD chara erokom degree world er ar kothao nei, kothata bolar age ektu jenesune bola ucit chilo na.. Jai hok, je jar specific field e kaj kori, sobai milemise valo thaki ei kamona roilo… R lekhar majhe kono wrong information thakle ektu dhoray diyen. jotoi hok student manus, sekhar ase onek kisu.

    • ডাঃ তায়ফুর রহমান (এডমিন)

      কে আগে কে পরে তা দিয়ে কি বিজ্ঞানের শাখা নির্ধারিত হয়? বিজ্ঞানের একটি শাখা জীববিদ্যা, আর জীববিদ্যার একটা শাখা জীনতত্ত্ব। আবার জীনের মিলনের ফলেই জীবের সৃষ্টি। তাহলে তো জীববিদ্যা হওয়া উচিৎ ছিল জেনেটিক্স-এর শাখা ! আর স্পেশালিষ্ট বা বিশেষজ্ঞ হওয়া কি এতো সহজ ? অনার্স পাস করেই বিশেষজ্ঞ ! তাহলে মাস্টার্স বা পিএইচডি ডিগ্রীর কি দরকার ? আর বিশ্বের কোথায় এনিমেল হাজবেন্ড্রীতে আমাদের দেশের মতো পৃথক ডিগ্রী দেয়? এখনো তুমি ছাত্র, তাই অনেক কিছু এখনই বুঝবে না। তবে বর্তমান যে অর্গানোগ্রাম পাস হতে যাচ্ছে, তাতে অদূর ভবিষ্যতে আমাদেরকে আর কিছু বলতে হবে না। যখন দেখবে তোমাদের পাসের রুমে ভিএস ডাক্তারি করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করবে আর তোমরা এক্সটেনশান নিয়ে টেনশান করবে তখন আর আমাদের কিছু বলতে হবে না। একটা কথা মনে রাখতে হবে, সাধারণ মানুষ হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকেই খুঁজবে, কারন তারা ডাক্তার কি এটা জানে কিন্তু প্রোডাকশান অফিসার কি তা তারা জানে না। জানার প্রয়োজন আছে বলেও তারা মনে করে না। যদি মনেই করতো তবে, তারা পরামর্শের জন্য ভিএস-এর কাছে না গিয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কাছেই যেতো। কিন্তু ৭ বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, একজন খামারিকেও আজ পর্যন্ত তা করতে দেখিনি। এই সত্যিটা উপলদ্ধি হতে আর বেশি দেরি নেই। এগ্রিকালচার এক্সটেনশান ওয়ার্কাররা প্রদর্শনী খামার করে, যা দেখে কৃষক উদ্বুদ্ধ হয়ে ঐ প্রযুক্তি গ্রহণ করে। আজ পর্যন্ত একটাও প্রদর্শনী খামার করা সম্ভব হয়নি। যে দেশে সরকারি খামারে বার্ড ফ্লু দেখা দেয় সেদেশে এসব বায়বীয় থিওরী দিয়ে কোন লাভ হবে না। ছাত্র মানুষ তো, তাই আবেগটা বেশি। আমরা কিন্তু তোমার কথাটাই বলতে চাই, মিলেমিশে কাজ করা। পাইলট প্রকল্প আকারে এই উপমহাদেশে ভারত, পাকিস্তান আর বাংলাদেশে দুটি ফ্যাকাল্টি আলাদা করা হয়েছিল। অন্য দুটি দেশ কিছুদিন পরেই এর অযৌক্তিকতা বুঝতে পারলেও দুর্ভাগ্যবশতঃ আমরা পারিনি। তবে আমার ব্যাক্তিগত মত হলো যদি দুটি ফ্যাকাল্টিকে আলাদাই রাখতে হয় এবং পশু পালনকে যদি কৃষির অংশ ভাবা হয় তবে ওটাকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধিনে দেয়াই ভালো, আর ভেটেরিনারি সায়েন্স যেহেতু মেডিকেল সায়েন্সের অংশ তাই এটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনে থাকলেই আর কোন ঝামেলা হবে না। (কিন্তু আমি তো ক্ষুদ্র একজন মানুষ, তাই আমি বলে আর কি লাভ!)

  5. Dhonnobad taifur vai,shundor akta post ar jonno,acharao jara nij nij motobad diachen ,tader keh dhonnobad janai.asole shajalal vai apni je jukti ti dekhalen specialist!!! Ha sobai hoyto specialist khujbe kintu amar mone hoy apni bangladesh ei bash koren,r amader artho samajik obostha to apni nischoi amr theke valo janen,khub kom manus e ache jara tader animal ar jonno akbar vet ar kache,abar arekbar AH ar kache jabe,arokom % khub kom,r manus animal ar jonno manus ar moto ato serious na je onk tk poisha dhalbe,tader kotha hocche more jabar age jobai kore felo,taholeo kichuta save hobe,to ai obosthay akta farmer chaibe na dui jon k dui bar fee dite,ata amra sobai bujhi,to amar mone hoy ato hingsha biddesh na kore dui faculty ak hoye jaoatai nijeder jonno sob cheye better!!!aj amra samajik vabe temon morjadar odhikari noi shudhu oi totkalin dean ship nia jhogra laga dui jon manusher jonno,jader karone aj amader proffesion ar ai obostha,janina tara kemon achen,beche achen na mara jechen,tobe tara valo thak,tader baktigoto uddesso hasil hoyeche…..tara,onk onk valo thakuk ai kamonai kori…dhonnobad sobai k,valo thakben@all

  6. আসলে সবারই উচিত বক্তব্যের স্পিরিটে গিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখানো, না হয় ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। একটি বিষয় নিয়ে তর্ক করে সমাধান হবে না, যুক্তি-তর্কের সময় সামগ্রিক বিষয়টি মাথায় রাখা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *